ভালোবাসায় কি সত্যিই প্রতিটি ইউরোর জন্য অনুমতি নিতে হয়? এভাবে বললে অদ্ভুত শোনায়। অথচ অর্থনৈতিক সহিংসতা সবচেয়ে বেশি ঘটে আর সবচেয়ে কম চোখে পড়ে — ঠিক এই কারণে যে এটা আসে যত্নের ছদ্মবেশে।
কীভাবে শুরু হয়
প্রায় সবসময় এমন কথা দিয়ে, যা শুনতে মিষ্টি লাগে:
- “তোমার চাকরি করার দরকার নেই, আমি তো দুজনের জন্যই আয় করি।”
- “কার্ড দিয়ে তুমি কী করবে? সব খরচ তো আমিই দিই।”
- “বেছে নাও: হয় চাকরি, নয়তো আমি।”
এভাবে কথায় কথায় একসময় অ্যাকাউন্টে আর নিজের হাত থাকে না, প্রতিটি খরচের কৈফিয়ত দিতে হয়, নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি নিজের ব্যাপারেও।
এটা সুরক্ষা নয়। এটা জোর করে নির্ভরশীল করে রাখা।
অর্থনৈতিক সহিংসতা ঘটে, যখন আপনাকে কাজ করতে দেওয়া হয় না, যখন প্রতিটি ইউরোর হিসাব দিতে হয়, যখন শুনতে হয় আপনি টাকাপয়সা সামলাতে পারেন না। উদ্দেশ্য সবসময় একই: আপনাকে নির্ভরশীল করে রাখা, যাতে চলে যাওয়ার স্বাধীনতা কমে যায়।
এটা কর্মজীবী নারীদের সঙ্গেও ঘটে
বেতন থাকলেই সবসময় স্বাধীন হওয়া যায় না। যৌথ অ্যাকাউন্ট খালি করে ফেলা, শুধু তার নামে নেওয়া গৃহঋণ, “ভাগাভাগির” খরচ, যা ঠিক করে একজনই: বেতন থাকলেও এগুলো অর্থনৈতিক সহিংসতার রূপ। কারণ আসল কথা আপনি কত আয় করেন তা নয়, আসল কথা হলো সিদ্ধান্ত নেয় কে।
যে আপনাকে ভালোবাসে, সে আপনাকে স্বাধীন করে, নির্ভরশীল নয়।
আর্থিক স্বাধীনতা কোনো বিলাসিতা নয়: এটা আপনার অধিকার। এই লেখায় যদি নিজেকে খুঁজে পান, 1522-এ ফোন করে কথা বলুন। বিনামূল্যে, পরিচয় গোপন রেখে, দিনরাত 24 ঘণ্টা চালু।
WIS-কে ফলো করুন। জানুন, শেয়ার করুন আর পরিবর্তনের অংশ হয়ে উঠুন।