ডিজিটাল সহিংসতা অনেক সময় শুরু হয় নিরীহ মনে হওয়া আবদার দিয়ে। এতটাই নিরীহ যে “না” বলাটাই প্রায় অভদ্রতা মনে হয়।
- “তোমার পাসওয়ার্ড দাও, তোমার তো লুকানোর কিছু নেই।”
- “দেখি তো, কার সঙ্গে চ্যাট করছ।”
- “তোমার লোকেশনটা শেয়ার করো, নিরাপত্তার জন্য।”
তারপর নিজের গোপনীয়তা হারিয়ে যায়
ধীরে ধীরে আপনার প্রতিটি চলাফেরার ওপর নজর রাখা হয়। আপনি কৈফিয়ত দিতে শুরু করেন, চ্যাট মুছে ফেলতে থাকেন, ফোন লুকিয়ে রাখেন। এটা আর ভালোবাসা নয়: এটা নিয়ন্ত্রণ।
তরুণ-তরুণীদের মধ্যে প্রায় স্বাভাবিক হয়ে গেছে সারাক্ষণ সঙ্গীর লোকেশন জানা, প্রতি মুহূর্তে সে কার সঙ্গে আছে তা জানা, সে কী পরে তা নিয়ে মন্তব্য করা। এটা মোটেও স্বাভাবিক নয়।
এর কী কী রূপ হতে পারে
- ফোন, মেসেজ, সোশ্যাল মিডিয়া চেক করা।
- পাসওয়ার্ড আর সারাক্ষণের লাইভ লোকেশন দাবি করা।
- অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়া, বা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া।
- অনলাইনে পিছু লেগে থাকা — একটানা মেসেজ পাঠিয়ে, বা ভুয়া প্রোফাইল খুলে।
- ইন্টারনেটে আবেগ দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা।
ভালোবাসা মানে নিয়ন্ত্রণ নয়। ডিজিটাল দুনিয়াতেও নয়।
নিজের গোপনীয়তার অধিকার আপনার আছে। আপনি সীমা টানতে পারেন, আর কেউ তা না মানলে ভুলটা আপনার নয়। আপনি একা নন: 1522 চ্যাটেও উত্তর দেয়।
WIS-কে ফলো করুন আর এই বার্তা শেয়ার করুন: এটা হয়তো আপনার কাছের কাউকেও সাহায্য করবে।